পটনায় এক ধর্ষণের ঘটনায় উঠে এল অনেক নোংরামি, গাফিলতির ছবি। ক’দিন আগে পটনায় এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ করে তার প্রেমিক ও সহপাঠী কিশোররা। সেই ধর্ষণের ভিডিও তুলে তা এমএমএসের মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেয় সেই ছাত্রীর সহপাঠী কিশোররাই। এরপর সেই ছাত্রীর বাড়ির লোকেরা অভিযোগ জানাতে গেলে অভিযোগ নিতে রাজি হয়নি পুলিশ। রাজ্য মহিলা কমিশনে গেলেও ব্যাপারটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
এদিকে, সেই এমএমএস ছড়িয়ে পড়তে থাকে অনেকের মোবাইলে। আপলোড হয় বিভিন্ন সাইটে। এই ঘটনায় মিডিয়ায় তোলপাড় শুরু হয়। এরপরই চাপে পড়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। লজ্জায় পড়ে যায় রাজ্য মহিলা কমিশন। পুলিশি তদন্তে প্রকাশ, গত ১৪ জুলাই, স্কুলের শেষে সেই ছাত্রীকে ডেকে পাঠায় তার প্রেমিক। স্কুল শেষে সেই ছাত্রীটি যায় তার প্রেমিকের কাছে। যাওয়ার পরই তাকে তার প্রেমিক সহ আর পাঁচ যুবক তাকে জোর করে একটা ঘরে নিয়ে যায়। এরপর একে একে সেই ছাত্রীটি ধর্ষণ করা হয় এবং সস্তা ভিডিও ক্যামেরায় সেই ভিডিও তোলা হয়। সেইদিনই এমএমএসের মাধ্যমে সেই ধর্ষণের ভিডিও বিভিন্ন মোবাইলে পাঠানো হয়। পটনায় এই এমএমএস এখন অনেকের মোবাইলে দেখা যাচ্ছে। ছড়াচ্ছে তা দেশ জুড়ে। পটনা হাইকোর্টের এক আইনজীবী জানিয়েছেন, এই অপরাধ প্রমাণ করে দিল, আমাদের দেশে সাইবার আইন, জুভেনাইল অপরাধ দমন আইন কতখানি ঠুনকো। অপরাধী ও অপরাধ দুটো দমনেই ব্যর্থ পুলিশ এবং আইন। সময়ের সঙ্গে আইনের বদল ও তা কঠোরভাবে কার্যকর করতে ব্যর্থ সরকার। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের স্বার্থেই স্কুলের নাম, অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করা যাবে না।
Shortlink:
ara sob haenar dal
jamal
27/07/2012 at 3:12 am
premik soho r baki 5 friends er santence r ta na hole 14 years jail deoya ochit
ai doroner premik k polisher ochit krosh far a mara
pasha
27/07/2012 at 3:29 pm